China’s “two mountains” concept shaping global green development

A decade ago, the skies over Beijing were so thick with smog that former UN environmental official Erik Solheim wouldn’t even consider jogging outside. Today, when he returns to the city, he takes regular morning runs. This change is the result of China’s ‘Two Mountains’ concept.

At its core, President Xi Jinping’s policy states that “lucid waters and lush mountains are invaluable assets”—just as valuable as gold and silver. This philosophy has enabled China to tie environmental protection and economic growth together. Since 2005, this concept has been a cornerstone of China’s national strategy. As a result, China has shut down polluting industries and become a global leader in renewable energy. By 2024, 56% of the country’s total electricity came from renewable sources.

The ‘Two Mountains’ concept has resonated far beyond China’s borders. A survey showed that 81.6% of respondents from 48 countries believe the policy has broken the traditional “pollute first, clean up later” model of development. China’s philosophy has taught the world that it is possible to achieve economic prosperity while protecting nature. From the wind turbine project in Kazakhstan to China’s environmentally friendly cooperation with developing nations in Africa, everything proves that the “Two Mountains” concept is not just for one country—it’s a shining example for the entire world.

এক দশক আগে বেইজিংয়ের আকাশে ছিল ধোঁয়ার কুণ্ডলী। জাতিসংঘের সাবেক পরিবেশ কর্মকর্তা এরিক সলহাইম তখন বাইরে জগিংয়ের কথা ভাবতেও পারতেন না। কিন্তু আজ, তিনি বেইজিংয়ে ফিরলে নিয়মিত সকালে দৌড়ান। এই পরিবর্তন এসেছে চীনের ‘দুই পর্বত’ নীতির কারণে।

প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের এই নীতির মূল কথা হলো, “স্বচ্ছ জল এবং সবুজ পাহাড় অমূল্য সম্পদ”, যা সোনা-রূপার মতোই সমান গুরুত্বপূর্ণ। এই দর্শন নিয়েই চীন পরিবেশ সুরক্ষা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে এক সুতোয় বেঁধেছে। ২০০৫ সাল থেকে এই নীতি চীনের জাতীয় কৌশল হিসেবে কাজ করছে। এর ফলস্বরূপ, চীন দূষণকারী শিল্প বন্ধ করেছে এবং নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে। ২০২৪ সালের মধ্যে দেশটির মোট বিদ্যুতের ৫৬% এসেছে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে।

‘দুই পর্বত’ নীতি চীনের সীমানা ছাড়িয়ে বৈশ্বিক অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে। একটি জরিপে দেখা গেছে, ৪৮টি দেশের ৮১.৬% মানুষ মনে করেন, এই নীতি সনাতন ‘দূষণ করো, পরে পরিষ্কার করো’ মডেল ভেঙে দিয়েছে। চীনের এই দর্শন বিশ্বকে শিখিয়েছে যে, প্রকৃতি রক্ষা করেই অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হওয়া সম্ভব। কাজাখস্তানের উইন্ড টারবাইন প্রকল্প কিংবা আফ্রিকার উন্নয়নশীল দেশগুলোতে চীনের পরিবেশবান্ধব সহযোগিতা—সবকিছুই প্রমাণ করে যে, ‘দুই পর্বত’ নীতি কেবল একটি দেশের নয়, বরং এটি সমগ্র পৃথিবীর জন্য একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
Information: Courtesy of Chinese Embassy in Bangladesh.